TAX

দ্রব্যের দাম কী ভাবে নির্ধারিত হয়

পূর্ণ প্রতিযোগিতামূলক বাজারে কোনো একটি দ্রব্যের দাম নির্ধারিত হয় বাজারের চাহিদা ও যোগানের ঘাত-প্রতিঘাতে। যে বাজারে অসংখ্য ক্রেতা ও বিক্রেতা থাকে এবং সকল বিক্রেতা সমজাতীয় দ্রব্য বিক্রয় করে তাকে পূর্ণপ্রতিযোগিতার বাজার বলে। যখন অর্থনীতিতে কোন দ্রব্যের উৎপাদন বেশী হয় তখন সেই দ্রব্যের যোগান বাজারে বেশী হয়। কিন্তু চাহিদা যদি একই থাকে তবে সেই দ্রব্যের বাড়তি যোগান সৃষ্টি হয়। এই অবস্থায় বিক্রেতারা বাড়তি দ্রব্য বিক্রয় করার জন্য নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা করে দ্রব্যের দাম হ্রাস করে। দ্রব্যের দাম হ্রাস পেলে চাহিদা বৃদ্ধি পায়। ফলে কিছুটা দ্রব্য বিক্রেতা বিক্রয় করতে পারে এর ফলে দ্রব্যের যোগান কিছুটা হ্রাস পায়। এই ভাবে বিক্রেতারা ধাপে ধাপে দাম হ্রাস করে নতুন চাহিদা সৃষ্টি করে। এই প্রক্রিয়া ততক্ষণ চলতে থাকে যতক্ষণনা পর্যন্ত চাহিদা ও যোগান পরস্পর সমান হয়। যে দামে বাজারের মোট চাহিদা ও যোগান পরস্পর সমান হয় তাকে ভারসাম্য দাম বলে। ভারসাম্য দামে বাড়তি যোগান বা বাড়তি চাহিদা কোনোটাই থাকে না ফলে দামের কোনরূপ পরিবর্তন ঘটে না।

একই ভাবে যখন উৎপাদন এর পরিমাণ হ্রাস পায় বা কোনো কারণে চাহিদা যদি বৃদ্ধি পায় তখন বাজারে বাড়তি চাহিদা দেখতে পাওয়া যায়। বাড়তি চাহিদা থাকার ফলে সব ক্রেতারা ওই দ্রব্য পাবে না বা কোন ক্রেতা যতটা কিনতে ইচ্ছুক ততটা ক্রয় করতে পারবে না। এমত আবস্থায় ক্রেতারা নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা করে দাম বাড়িয়ে দেবে। দ্রব্যের দাম বাড়লে কিছুটা চাহিদা হ্রাস পায়। এই পক্রিয়া ততক্ষণ চলবে যতক্ষণ না পর্যন্ত বাজারের মোট চাহিদা ও যোগান পরস্পর সমান হয়। যে দামে বাজারের মোট চাহিদা ও যোগান পরস্পর সমান হয় তাকে ভারসাম্য দাম বলে। ভারসাম্য দামে বাড়তি যোগান বা বাড়তি চাহিদা কোনোটাই থাকে না ফলে দামের কোনরূপ পরিবর্তন ঘটে না।

Share with friends

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *